আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক প্রস্তুতি ছিল না, তবে মানসিক প্রস্তুতি ছল।
- আবদুল মান্নান
আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশ্বাসী ছিলাম, তাই আলোচনা চালিয়েছি শেষ পর্যন্ত।
- আবদুর রাজ্জাক
৭১ সালে আমরা যখন স্বাধীনতার জন্য জনগনকে প্রস্তুতি গ্রহণের কথা বলি, তখন ২৩ মার্চ আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে পাকিস্থান দিবস পালন করা হয় এবং আমাদের তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিযুক্ত করে।
- আবুল বাশার
সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করার পূর্ব-প্রস্তুতি মানসিকভাবে নিশ্চয় ছিল।
- মেজর জেনারেল (অব:) সি আর দত্ত
প্রত্যক্ষ যুদ্ধে আওয়ামী লীগের কোন সহকারী নেতাও অংশগ্রহন করেনি।
- হায়দার আকবর খান রনো
link
Tuesday, July 3, 2007
একাত্তরের গণহত্যা: আসল নায়ক কে? (৪)
চার)
অবশ্য এর পরেও বলতে হয়, পিতৃত্বের প্রশ্নটা যখন এসেই গেছে- এ সম্পর্কিত আলোচনা (ইংরেজীতে যাকে বলে Critical Appreciation) শুরু হওয়া দরকার। সে আলোচনার উদ্দেশ্য কোনক্রমেই শেখ মুজিবকে অনর্থক হেয় করা নয়; উদ্দেশ্য অনাবশ্যক মুগ্ধতাবোধ কিংবা অবাঞ্চিত বিদ্বেষের আবরণ থেকে প্রকৃত শেখ মুজিবকে উদ্ধার করা এবং জাতির সামনে তুলে ধরা।
পাঁচ)
এই লক্ষ সামনে রেখেই 'সমাজ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র' - এর এই ক্ষুদ্র পয়াস। বস্তুত: 'সমাজ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র'- এর অন্যতম লক্ষ্যই হচ্ছে, আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি বিশেষত রাজনীতির গিত প্র-কৃতি, ট্রেন্ড-স্টাইল, ধরন-ধারণ সম্পর্কে কিছুটা আলোকসম্পাত করা- যাতে অতি সাধারন মানুষ থেকে শরু করে অতি বড় পন্ডিত পর্যন্ত সকলেই স্মৃতিতে ঝালাই করে নিজস্ব ভংগিতে রাজনীতি ও সমাজকে মূল্যায়ন করার কিছু উপাদান নাগালের মধ্যে পেতে পারেন।
link
অবশ্য এর পরেও বলতে হয়, পিতৃত্বের প্রশ্নটা যখন এসেই গেছে- এ সম্পর্কিত আলোচনা (ইংরেজীতে যাকে বলে Critical Appreciation) শুরু হওয়া দরকার। সে আলোচনার উদ্দেশ্য কোনক্রমেই শেখ মুজিবকে অনর্থক হেয় করা নয়; উদ্দেশ্য অনাবশ্যক মুগ্ধতাবোধ কিংবা অবাঞ্চিত বিদ্বেষের আবরণ থেকে প্রকৃত শেখ মুজিবকে উদ্ধার করা এবং জাতির সামনে তুলে ধরা।
পাঁচ)
এই লক্ষ সামনে রেখেই 'সমাজ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র' - এর এই ক্ষুদ্র পয়াস। বস্তুত: 'সমাজ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র'- এর অন্যতম লক্ষ্যই হচ্ছে, আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি বিশেষত রাজনীতির গিত প্র-কৃতি, ট্রেন্ড-স্টাইল, ধরন-ধারণ সম্পর্কে কিছুটা আলোকসম্পাত করা- যাতে অতি সাধারন মানুষ থেকে শরু করে অতি বড় পন্ডিত পর্যন্ত সকলেই স্মৃতিতে ঝালাই করে নিজস্ব ভংগিতে রাজনীতি ও সমাজকে মূল্যায়ন করার কিছু উপাদান নাগালের মধ্যে পেতে পারেন।
link
Monday, July 2, 2007
একাত্তরের গনহত্যা: আসল নায়ক কে? (৩)
তিন)
বস্তুত শেখ মুজিব বলে নয়, জাতির পতৃত্ব অর্জন করতে হলে যে কোন ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবদান এবং ভুল-ভ্রান্তি ও দোষ-ত্রুটির চুলচেরা মূল্যায়ন দরকার। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে একটা জাতীয় ঐকমত্য (National Concensus) প্রতিষ্ঠিত হলেই কেবল কেউ এরূপ মর্যদায় অভিষিক্ত হতে পারেন। এর বিপরীতে, দেশবাসীকে গালাগালি দিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে ঐ মর্যাদা আরোপ করার চেষ্টা হিতে বিপরীত ফলই কেবল দিবে। শহীদ মিনারে কিংবা ডাকসুতে শেখ মুজিবের ছবি টাংগানোর পরিণতি এবং ঐ পরিণতির তাৎপর্য উপলদ্ধি করলে, সম্ভবত এ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যার ব্যাখ্যার অবকাশ থাকে না।
link
বস্তুত শেখ মুজিব বলে নয়, জাতির পতৃত্ব অর্জন করতে হলে যে কোন ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবদান এবং ভুল-ভ্রান্তি ও দোষ-ত্রুটির চুলচেরা মূল্যায়ন দরকার। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে একটা জাতীয় ঐকমত্য (National Concensus) প্রতিষ্ঠিত হলেই কেবল কেউ এরূপ মর্যদায় অভিষিক্ত হতে পারেন। এর বিপরীতে, দেশবাসীকে গালাগালি দিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে ঐ মর্যাদা আরোপ করার চেষ্টা হিতে বিপরীত ফলই কেবল দিবে। শহীদ মিনারে কিংবা ডাকসুতে শেখ মুজিবের ছবি টাংগানোর পরিণতি এবং ঐ পরিণতির তাৎপর্য উপলদ্ধি করলে, সম্ভবত এ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যার ব্যাখ্যার অবকাশ থাকে না।
link
একাত্তরের গনহত্যা: আসল নায়ক কে? (২)
দুই)
মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের একজন জাতীয় নেতা। মানুষ হিশাবে, নেতা হিশাবে তাঁর ব্যাক্তিত্বে যেমন বহুগুনের সমাহার ঘটেছে, তেমনি তিনি দোষ-ত্রুটিরও একেবারে উর্ধ্বে ছিলেন, তা নয়। দোষে-গুণেই মানুষ। এহেন বিরল ব্যাক্তিত্বের যেটুকু মর্যাদা পাওনা, ইচ্ছা করলেই তা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা যাবে না। আবার যা পাওনা নয়, জোর করে তা আরোপ করাও সম্ভব হবে না। ইতিহাসের নির্মম স্বীকৃতির পরিবর্তে গোটা জাতিকে জারজ সন্তান বানিয়ে পিতৃত্বের আসন দেয়ার চেষ্টার মধ্যে কি গৌরব থাকতে পারে, তা বুঝা সত্যিই মুস্কিল।
link
মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের একজন জাতীয় নেতা। মানুষ হিশাবে, নেতা হিশাবে তাঁর ব্যাক্তিত্বে যেমন বহুগুনের সমাহার ঘটেছে, তেমনি তিনি দোষ-ত্রুটিরও একেবারে উর্ধ্বে ছিলেন, তা নয়। দোষে-গুণেই মানুষ। এহেন বিরল ব্যাক্তিত্বের যেটুকু মর্যাদা পাওনা, ইচ্ছা করলেই তা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা যাবে না। আবার যা পাওনা নয়, জোর করে তা আরোপ করাও সম্ভব হবে না। ইতিহাসের নির্মম স্বীকৃতির পরিবর্তে গোটা জাতিকে জারজ সন্তান বানিয়ে পিতৃত্বের আসন দেয়ার চেষ্টার মধ্যে কি গৌরব থাকতে পারে, তা বুঝা সত্যিই মুস্কিল।
link
Sunday, July 1, 2007
একাত্তরের গনহত্যা: আসল নায়ক কে? (১)
এক) 'যারা বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা স্বীকার করে না তারা জারজ সন্তান' - এই হচ্ছে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ফর্মুলা। এ সূত্রমতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ বাংলাদেশের এগার কোটি মানুষই জারজ সন্তান। কেননা, আওয়াশীলীগও তাদের সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতির পিতি বলে স্বীকৃত দেয়নি। ক্ষমতায় থাকাকালে তারা জাতীয় পাখি, জাতীয পশু, জাতীয় ফুল, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত প্রভৃতি সব ব্যাপারেই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কিন্তু জাতির 'পিতৃত্ব' সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। সে হিসেবে আওয়ামী লীগ তাদের নিজ সূত্রমতে নিজেরাই জারজ সন্তানের পর্যায়ভূক্ত হলেও শালীনতা বোধের কারনে তা বলা যায় না। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, ক্ষমতায় থাকাকালে যারা শেখ মুজিবকে পিতৃত্বের মর্যাদা দিতে কুণ্ঠিত ছিলেন, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রায় পনের বছর পর ১৯৯০ সালে এসে সেই পিতৃত্ব জাতির উপর চাপাতে গিয়ে তারা সমগ্র জাতিকে জারজ সন্তান খেতাবে ভূষিত করলেন কেন? তাছাড়া, এই 'জারজ সন্তান'দের পিতৃত্বই বা শেখ মুজিবকে এখন আর কতখানি গৌরবান্বত করবে?
Thursday, June 28, 2007
Subscribe to:
Posts (Atom)